নিহত বিদ্যুতের স্বজনদের দাবি, তাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, রবিবার (১২ মার্চ) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তালা উপজেলার রহিমাবাদ গ্রামের লক্ষণ দাসের আমবাগানে বন্দুক যুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। গোপন সূত্রে খবর আসে কয়েকজন সন্ত্রাসী সেখানে বসে ডাকাতির জন্য শলাপরামর্শ করছে। খবর পেয়ে এসআই মোজাফফর ও এস আই নাজমুলের নেতৃত্ব পুলিশের দুটি দল সেখানে পৌঁছানোর পরপরই চরমপন্থীরা তাদের ওপর ককটেল হামলা চালায়। গুলিও ছোড়ে। পুলিশও এ সময় পাল্টা গুলি ছোড়ে। প্রায় ১৫ মিনিট গুলি বিনিময়ের পর সেখানে দুজনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্যরা পালিয়ে যায়।
ওসি জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হচ্ছে তালার মাগুরা ইউনিয়নের মাগুরাডাঙ্গা গ্রামের কানাই বাছাড়ের ছেলে বিদ্যুৎ বাছাড় এবং সুজনসাহা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে শেখ তালহা। তিনি জানান, বিদ্যুৎ বাছাড় চরমপন্থী দল পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির বিদ্যুৎ বাহিনী প্রধান। তার বিরুদ্ধে ৫টি ডাকাতি ও ৩টি অস্ত্র মামলাসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। অপরদিকে নিহত তালহার বিরুদ্ধে রয়েছে একটি নাশকতার মামলা। আহত দুই পুলিশ সদস্য এএসআই সফিউজ্জামান ও কনস্টেবল নাজমুলকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত দুই ব্যক্তির লাশ ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরায় পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।
এদিকে নিহতের ভাগনে বিশ্বজিৎ সরকারের দাবি, গত বুধবার সাতক্ষীরার তালা উপজেলা সুনশাহ দাশপাড়া গোপাল দাশের বাড়ি থেকে বিদ্যুতকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ রবিবার সকালে জানতে পারলাম ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সে নিহত হয়েছে।
/এফএস/
আরও পড়ুন-