এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৩০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ওই এলাকায় মণ্ডল গ্রুপ ও লস্কর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে গত কয়েকদিন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এনিয়ে বুধবার সকালে মণ্ডল গ্রুপের প্রধান সাদ ব্যাপারীর লোকজন বাড়ির পাশের ভুট্টাক্ষেতে ফসল তুলতে গেলে প্রতিপক্ষ লস্কর গ্রুপের লোকজন তাদের বাধা দেয়। এসময় মণ্ডল গ্রুপের সমর্থক স্থানীয় ইউপি সদস্য ফিরোজ আহমেদ কটা ও লস্কর গ্রুপের সমর্থক লতিফ মোল্লার নেতৃত্বে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এক পর্যায়ে মন্ডল গ্রুপের লোকজন পালিয়ে যায়।
দুপুরে আবারও উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় লস্কর গ্রুপের দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে মন্ডল গ্রুপের প্রধান সাদ ব্যাপারীর নাতনী রুমী আহত হয়। পরে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এছাড়া সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়।
এদিকে রুমীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মণ্ডল গ্রুপের সমর্থকরা পাহাড়পুর, নুরপুর ও গোপালপুরে লস্কর গ্রুপের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে।এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। বর্তমানে ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কুমিারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
/এআর/