দুই বছরের শিশু সন্তান রাজুসহ খাদিজাকে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে উপস্থিত করা হয়।
এর আগে ৮ অক্টোবর রাতে পুলিশের একাধিক টিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যশোর শহরের ঘোপ নওয়াপাড়া রোড জামে মসজিদের পেছনে স্কুলশিক্ষক হায়দার আলীর বাড়ি ঘেরাও করে। ওই বাড়িতে খাদিজা তার তিন শিশু সন্তান নিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে বসবাস করছিলেন। ১৫ ঘণ্টা পর ৯ অক্টোবর বিকাল ৩টার দিকে খাদিজার বাবা নিজাম উদ্দিন ও মা সালমা বেগম পাবনার হেমায়েতপুর থেকে যশোরে আসেন। পুলিশ তাদের সহায়তায় খাদিজাকে আত্মসমর্পণ করায়। পরে খাদিজার ঘর থেকে তিনটি সুইসাইডাল ভেস্ট উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়। এছাড়া কিছু ভবনের নকশা উদ্ধার করা হয়। অভিযানে অংশ নেন সোয়াট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা।
এ ঘটনায় ৯ অক্টোবর রাতে যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিংয়ের পরিদর্শক তোফায়েল আহমেদ বাদী হয়ে খাদিজা ও তার স্বামী হাদিসুর রহমান সাগর ওরফে মশিউরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনের নামে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খাদিজার তিন শিশুর মধ্যে ছেলে রাজুর বয়স দুই বছর হওয়ায় তাকে খাদিজার সঙ্গে রাখা হয়েছে। অন্য দুই মেয়েকে তাদের নানার হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন- অপারেশন মেল্টেড আইস: জঙ্গি মারজানের বোন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা