সুন্দরবনের বন সংরক্ষক আমির হুসাইন চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘এবারের রাস মেলা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন ও নিরাপত্তার জন্য ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। পর্যটক ও তীর্থ যাত্রীদের নিরাপত্তাসহ হরিণ শিকার রোধে বন প্রহরীদের পাশাপাশি র্যাব, কোস্টগার্ড ও পুলিশ টহল দিয়েছে।’
রাস উৎসব উৎযাপন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা মনে করেন তাদের দেবতা শ্রী কৃষ্ণ এ তীর্থস্থানে এসে পুণ্যস্নান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর হিন্দু সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ এখানে জড়ো হয়ে পুণ্যস্নান করেন। তাদের বিশ্বাস এই পুণ্যস্নানের মধ্যে দিয়ে সব পাপ মোচন এবং মনের ইচ্ছা পূরণ হবে।’
প্রতি বছর কার্তিক মাসের শেষে বা অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম দিকের ভরা পূর্ণিমার সময় রাস উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ২ নভেম্বর থেকে সাগরপাড়ের দুবলার চরে শুরু হয় তিনদিন ব্যাপি রাস উৎসব। শেষ হলো ৪ নভেম্বর শনিবার।