জানা গেছে, স্টেশনটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের সেপ্টম্বর মাসে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজে দেরি করায় ২০১৭ সালের জুনে একবার এবং এরপর ২০১৮ সালের জুন মাসে এই কাজ শেষ করার সময়সীমা বাড়ানো হয়। বর্তমানে এই স্টেশনের কাজ শেষ হয়েছে ৯০ ভাগ।
খুলনা আধুনিক রেল স্টেশন নির্মাণ তদারকি কাজে রেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী বীরবল মণ্ডল জানিয়েছেন, এই কাজ রয়েছে শেষ পর্যায়ে। আগামী জুনের আগেই কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদ জানান তিনি।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তমা কনস্ট্রাকশনের প্রকৌশলী মোসাব্বির হক বিপ্লবও একই কথা জানান। তিনি বলেন, ‘এখনও কিছু কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই বাকি কাজগুলো শেষ করতে পারব বলে আশা করছি।’
খুলনা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, আধুনিক এই রেল স্টেশনে রাজশাহী ও কমলাপুর রেল স্টেশনের মতো সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। তিনটি প্ল্যাটফর্মে ছয়টি লাইন দিয়ে ছয়টি ট্রেন আপ-ডাউন করতে পারবে। ছয়টি টিকিট কাউন্টার, ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা, ওয়াটার হাইডেন ছাড়াও থাকবে নারী-পুরুষের জন্য আলাদা বাথরুম। ভিআইপিদের জন্য দুইটি এবং প্রথম শ্রেণি ও শোভন যাত্রীদের আলাদা ওয়েটিং রুম থাকবে। এছাড়াও রেস্টুরেন্ট, ব্যাংক, নামাজ ঘর, আবাসিক হোটেল, পিএবিএক্স টেলিফোন ব্যবস্থা, প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের বসার ব্যবস্থাও থাকবে। আর গোটা রেল স্টেশনটি থাকবে সিসি ক্যামেরার আওতায়।
নির্মাণ কাজের খরচ কেন বেড়েছে— জানতে চাইলে মোসাব্বির হক বিপ্লব বলেন, ‘স্টেশন নির্মাণের কাজের সময় বেশি লাগায় কাজের খরচ বাড়েনি। মূল কাজের সঙ্গে পরে নর্দমা, কার ও রিকশা পার্কিং, সীমানা প্রাচীর ও ফায়ার ফাইটিং রুমের কাজ যোগ হয় এ কারণে খরচ বেড়েছে।’