মহানগর আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ স্বাক্ষরিত প্রেস বার্তায় বলা হয়েছে, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে রবিবার রাতে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে দলীয় কার্যালয়ে। রাত ১০টার দিকে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল হোসেন। সভায় আওয়ামী লীগের মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী ছাড়া দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্য প্রার্থীদের কাউন্সিলর পদ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সভা থেকে মোবাইল ফোনে বিদ্রোহী সবাইকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্যও বলা হয়। এই সিদ্ধান্তের পর যারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন না তাদের বিরুদ্ধে দলীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।
মহানগর বিএনপির সহদফতর সম্পাদক শামসুজ্জামান চঞ্চল স্বাক্ষরিত এর প্রেস বার্তায় জানানো হয়েছে, কেসিসি নির্বাচন উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপি গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের সভায় সাধারণ ও সংরক্ষিত কয়েকটি আসনের প্রার্থিতা সম্পর্কে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ ও ৩১ নং ওয়ার্ড উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এর আগে উন্মুক্ত রাখা ৩০ নং ওয়ার্ডে আমানউল্লাহ আমানকে দলের সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ড-৫ এ মিসেস মনিকে বিএনপির সমর্থন দিয়েছে। আগে এ ওয়ার্ডে আনজিরা বেগমকে সমর্থন দেওয়া হয়েছিল। মনোনয়ন বোর্ডের সভা থেকে দলের এই সিদ্ধান্তের বাইরে যারা প্রার্থী রয়েছেন, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে বিএনপি মনোনীত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রবিবার রাতে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন-
কেসিসি’তে আচরণবিধি লঙ্ঘনে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা
খুলনায় আ.লীগ-বিএনপির মেয়র প্রার্থীকে নির্বাচন কর্তকর্তার চিঠি