খুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ ২২৬ ভোটকেন্দ্র, ভোটের আগেই থাকবে ১০ জন করে পুলিশ

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনখুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)নির্বাচনে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২২৬টি ভোট কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ  বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের নিরাপত্তায় থাকবে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিজিবি। তবে অতিরিক্ত নিরাপত্তায় প্রতিটি অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ভোটের আগে থেকেই ১০ জন করে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, রাজনৈতিক দলের কার্যালয় ও নগরীর প্রবেশ দ্বারে ১৩ মে থেকে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু হবে। একইসঙ্গে আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেটদের ১০টি টিম ও ৪টি নাগরিক ভিজিলেন্স টিম।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) মিডিয়া উইং প্রধান এডিসি সোনালী সেন জানান, কেসিসি নির্বাচনের ২৮৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২২৬টি ভোট কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) এবং বাকি ৬৩টি ভোট কেন্দ্রকে সাধারণ (ঝুঁকিহীন) বলে চিহ্নিত করেছে। অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর জন্য ১০জন এবং সাধারণ কেন্দ্রে ৮ জন সশস্ত্র পুলিশ দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া থাকবে পুলিশের টহলদল ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দাকর্মীরা। সবমিলিয়ে ভোটের দিন ৫ হাজার পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে।

আনসার ও ভিডিপি’র জেলা কমান্ডেন্ট মোল্লা আবু সাইদ জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪ জন আনসার সদস্য (২ জন সশস্ত্রসহ ৯ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলা লাঠি নিয়ে) নিরাপত্তায় থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে তাদের সদস্য সংখ্যা ১৪ জন। সবমিলিয়ে নিরাপত্তায় থাকবে ৪ হাজার ৪৬ জন।

বিজিবি খুলনা সেক্টরের মেজর হান্নান খান জানান, টহল ও স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবির ১৬ প্লাটুন (৬৪০জন) দায়িত্ব পালন করবে। বিজিবি ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা অনুসরণ করবে।

র‌্যাব-৬ এর কমান্ডার খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, স্ট্রাইকিং ফোর্স ও টহলের দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত থাকবেন র‌্যাব সদস্যরা। নির্বাচন কমিশনের নির্দশনা অনযায়ী তারা টহলে থাকবেন।