চলছে ইভিএম-এ ভোটিং মহড়া, ভোটের আগে ভোট!


চলছে ইভিএম-এ ভোটিং মহড়ারাত পোহালেই খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন। এরই মধ্যে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শেষ। অপেক্ষা ভোট শুরুর। ব্যালট পেপারের পাশাপাশি এবার খুলনায় দু’টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দেওয়া যাবে। এজন্য ভোটের আগের দিন অর্থাৎ আজ সোমবার (১৪ মে) ইভিএম ব্যবহারের মহড়া চলছে।   
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইভিএম-এ ব্যালট ইউনিটের ওপর প্রার্থীর নাম ও প্রতীক সাজানো থাকে। প্রত্যেক প্রতীকের পাশে একটি করে সুইচ। ভোটার তার পছন্দের প্রতীকের পাশের সুইচ চাপলে ব্যালট ইউনিটের নিচের দিকে থাকা লাল বাতিটি জ্বলে উঠবে। ভোটটি গৃহীত হলে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে থাকা কন্ট্রোল ইউনিটের সামনের ডিসপ্লেতে একটি সংখ্যা যোগ হচ্ছে। এভাবেই ইভিএম ভোটিংয়ের টেস্ট ভোটের মহড়া চলছে। মহড়া সকাল ১০টায় শুরুর কথা থাকলেও শুরু করত বেলা ১২টা বেজে যায়। বেলা ২টা পর্যন্ত এ মহড়া চলবে। ২৪নং ওয়ার্ডের সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৭নং ওয়ার্ডের প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) স্কুল কেন্দ্রে চলছে এ মহড়া। সোনাপোতা কেন্দ্রে এক হাজার ৯৯ জন নারী ভোটার ও পিটিআই কেন্দ্রে এক হাজার ৮৭৯ জন পুরুষ ভোটার ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেবেন। 
২৭নং ওয়ার্ডের ভোটার আফসার আলী বলেন, ‘আগে কখনও এভাবে ভোট দেইনি। তাই বুঝতে সমস্যা হয়েছিল। আজ এসে সব দেখে বিষয়টি সহজ হয়ে গেল।’ 
২৪নং ওয়ার্ডের ভোটার ইশরাত ইসলাম বলেন, ‘আজকের ভোটিং মহড়ার খবর মাইকিংয়ের মাধ্যমে জেনেছি। ভোটের আগে বিষয়টি বুঝে নেওয়ার জন্য এখানে আসা। ভোট দেওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার হবে বলে মনে করি।’
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এনআইডি উইং-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন,  ‘ভোটারদের সচেতন করতে এ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য কোটি কোটি ব্যালট পেপার ছাপাতে হয় না। পাশাপাশি ভোট গণনা ও এই সংক্রান্ত ব্যয় কমে যায়।’