নড়াইলে পৃথক দুইটি ঘটনায় ৭ বছরের এক শিশু এবং এক গৃহবধূর ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশু ধর্ষণের অভিযোগে নড়াইল পৌর এলাকার ধোপাখোলার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক তুষার বিশ্বাসকে (৬৫) এবং গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে লোহাগড়া উপজেলার তেলকাড়ার ঈসা মন্ডলকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, আম খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে সোমবার (২ জুলাই) বিকেলে তুষার বিশ্বাস ৭ বছরের শিশুটিকে ঘরের মধ্যে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে যায়। তারা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক তুষারকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুরে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত তুষার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
অপর এক ঘটনায় নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার মাইগ্রামে এক গৃহবধূর গণধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশে অবস্থিত কলা বাগানে এক কাঁদি কলা কাটা দেখে তিনি সেখানে এগিয়ে যান। এ সময় কলা বাগানে লুকিয়ে থাকা মিলন মোল্যাসহ কয়েকজন যুবক বের হয়ে তার মুখ চেপে ধরে এবং তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। চিৎকারে শুনে প্রতিবেশিরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি তিন সন্তানের জননী। ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানিয়েছেন, ধর্ষণের শিকার হওয়া গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে এ ঘটনার মূল হোতা মিলন মোল্যাসহ (৩৫) অজ্ঞাত ৩/৪ জনের নামে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা দায়ের করেছেন। মিলনের সহযোগী ঈসা মন্ডলকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। নড়াইল সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মশিয়ার রহমান বাবু জানিয়েছেন, গৃহবধূ ও শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।