এই বন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুদমূখী খালে আমরা একটি কাঠের ডিঙি নৌকা দেখতে পায়। বনরক্ষীরা পরে ওই নৌকার দিকে এগোতে থাকলে কয়েকজন পাচারকারী দ্রুত কূলে উঠে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়। এসময় ওই নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে পা বাঁধা একটি জীবিত হরিণ ও কুমিরের চারটি বড় সাইজের চামড়া উদ্ধার করে। উদ্ধার হরিণটি শনিবার রাতেই হরিণটানা ক্যাম্প এলাকায় বনে অবমুক্ত করা হয়।’
শাহিন কবির আরও জানান, কুমিরের চারটি চামড়া সংরক্ষণের জন্য বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের মাধ্যমে রবিবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় পাঠানো হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাত পাচারকারীদের আটকে সুন্দরবনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এদিকে, বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার প্রতিরোধ আইনে অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি মামলাও করা হয়েছে।