খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে নাসিম বলেন, ‘আপনি ক্ষমতায় ছিলেন, স্বামী হত্যার বিচার করতে পারেননি। আপনি কোনও অপরাধের বিচার করতে জানেন না। তাই চক্রান্ত শুরু করেছেন। শেখ হাসিনার কোনও বিকল্প নেই।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সব বিভ্রান্তি দূর করে সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার অধীনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমেরিকা, বৃটেনসহ অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় সেভাবেই নির্বাচন হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কবরে চলে গেছে। আর ফিরে আসবে না। এই দুনিয়ার কেউ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না, নির্বাচন হবেই। বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ না নিলে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না। দেশে বাটি চালান দিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করলে জনগণ তাদের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।’
বিডিআর বিদ্রোহ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সিনিয়র এই নেতা বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিডিআর বিদ্রোহ হয়েছে। আমরা বিডিআর আইনেই তার বিচার করেছি।’
নাসিম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে হলে নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করতে হবে। আর শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবেন তার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।’
নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক জনসভায় সভাপতিত্ব করেন। মহাসমাবেশ পরিচালনা করেন- নগর ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সাম্যবাদী দলের সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, গণতন্ত্রী পাটির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, এস এম কামাল হোসেন, ন্যাপ (মোজাফফার) এর কেন্দীয় নেতা ইসমাঈল হোসেন, জেপি'র মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, সাম্যবাদী দলের স্থানীয় নেতা এফ এম ইকবাল হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মিনা মিজানুর রহমান, সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী। সমাবেশে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ১৪ দলের ব্যানারে মিছিলসহ যোগ দেন।