ক্রমাগত বাড়ছে মাগুরা পাসপোর্ট অফিসের রাজস্ব আয়

maagura passport office1‘অসামান্য’ হারে রাজস্ব আয় বেড়ে চলেছে মাগুরা পাসপোর্ট অফিসে। গত পাঁচ বছরের রাজস্ব আয়ের মূল্যায়নে দেখা গেছে, প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ। অন্যদিকে যশোরে না গিয়ে জেলাতে থেকেই পাসপোর্ট করার সুবিধাতে খুশি মাগুরার বাসিন্দারা।
পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে মাগুরা শহরের সৈয়দ মহল্লায় একটি ভাড়া বাড়িতে শুরু হয় পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম। ২০১৪ সালে রাজস্ব আয় আসে এক কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ৩৫০ টাকা; সেবা গ্রহীতা তিন হাজার ২৫৪ জন।
২০১৫ সালে আয় আসে চার কোটি ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬৫ টাকা; সেবা গ্রহীতা ১২ হাজার ৮৮২ জন। ২০১৬ সালের রাজস্ব আয় চার কোটি ৭৮ লাখ তিন হাজার ৬৫০ টাকা; সেবা গ্রহীতা ১৪ হাজার ৫৬২ জন।
২০১৭ সালের রাজস্ব আয় ছয় কোটি ৪৫ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৫ টাকা; সেবা গ্রহীতা ১১ হাজার ৭৬৬ জন । ২০১৮ সালে রাজস্ব আয় ছিল ছয় কোটি ৬৮ লাখ ৮০ হাজার ৩২৫; সেবা গ্রহীতা ১৭ হাজার ৮৭৬ জন ।
মাগুরা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি রসুল মীর জানালেন, ‘মাগুরা একটা ছোট্ট শহর। এখানকার অর্থনৈতিক অবস্থা ও জনসংখ্যার বিবেচনায় মাগুরা পাসপোর্ট অফিসের আয় সত্যি আশাব্যাঞ্জক। আমি মনে করি, এই আয় বাংলাদেশের সত্যিকার অর্থে একটি মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার প্রমাণ বহন করে।
মাগুরা পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক আইরিন পারভিন ডালিয়ার ভাষ্য, ‘আমরা সম্প্রতি ভাড়া বাড়ি থেকে নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম শুরু করেছি। এখানে জায়গা যেমন বেশি, ব্যবস্থাও বেশ আধুনিক। আশা করি, এখানে পাসপোর্ট করতে আসা মানুষ আরও স্বচ্ছন্দে পাসপোর্ট করতে পারবে। আর নিজস্ব ভবনে কাজ শুরু হওয়ায় আমাদের ব্যয়ও অনেক কমে গেছে।’
এদিকে মাগুরার বাসিন্দারাও যশোরের বদলে মাগুরা থেকেই পাসপোর্ট করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শহরের পারলা এলাকার অধিবাসী রাশেদুল ইসলামের ভাষ্য, ‘আগে পাসপোর্ট করতে আমাদের যশোর যেতে হতো। এখন আমরা মাগুরাতেই পাসপোর্ট পাচ্ছি। এটা আমাদের সময়  ও খরচ কমিয়ে দিয়েছে।’
‘মোহম্মদপুরের অধিবাসী হরেণ বিশ্বাস বলেছেন, এখান থেকে যশোর ৫০ কিলোমিটার দূরে। সেখানে গিয়ে আমরা অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকারও হয়েছি। এখন নির্ঝঞ্ঝাট পরিবেশে মাগুরাতে পাসপোর্ট করতে পারছি।’