এদিকে জুয়েলের লাশ খুলনায় দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বাদ আছর মোল্লাপাড়া জামে মসজিদে জানাজা শেষে হাজী আব্দুল মালেক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। জুয়েল খুলনা মহানগরীর জিন্নাপাড়া ১১তম গলির হাফেজ মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
জুয়েলের স্ত্রী লিপি বেগম জানান, ৬ এপ্রিল বার্জে যাওয়ার পর ৯ এপ্রিল দুপুরে জুয়েলের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়েছিল। ওই সময়ই জুয়েল তাকে বলেছিল ১০ এপ্রিল খুলনায় ফিরবে সে।
জুয়েলের বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, আয়ের একমাত্র ব্যক্তিকে হারিয়েছি। এখন দিশেহারা এই পরিবারটি কীভাবে চলবে তা ভেবে পাচ্ছি না। তিন ভাই এবং এক বোনের মধ্যে জুয়েল বড় ছিল। জুয়েলের চার বছরের ছেলে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৯ এপ্রিল রাত ৯টায় কালবৈশাখী ঝড়ে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের হারবাড়িয়া এলাকায় সগির খালের কাছে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমএল আক্তার ও সারবোঝাই বার্জ এমভি হরদা ডুবে যায়। জুয়েল বার্জে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২০ কি.মি. দূরে সুন্দরবনের ঝোপের পাশে জুয়েলের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।