নিহতের ভাতিজা ও স্ত্রী শেফালী বেগম জানান, শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ইজারা নেওয়া পুকুরে নেট টানাচ্ছিলেন মমিনুর। ওই পুকুর ইজারার দাবি করেন একই গ্রামের ইঊনূছ আলীও। সে সম্পর্কে নিহতের খালাতো ভাই। পুকুর ইজারাকে কেন্দ্র করে ইঊনূছ , আলম ও মশিয়ারের নেতৃত্বে আলমের ছেলে তুষার, মশিয়ারের ছেলে সুমন, আলমের শ্যালক আবু বক্করের ছেলে নান্নু, ইঊনূছ ও আলমের ভাগ্নে চুড়ামনকাটি গ্রামের রাসেল রামদা ও গাছিদা দিয়ে মমিনুরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সুব্রত কুমার বাগচী বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের দুই হাত, বুক ও পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি প্রচুর রক্ত পড়ে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে।’
চৌগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. মোস্তানিছুর রহমান বলেন, ‘মমিনুর আওয়ামী লীগের কর্মী। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।’