নজরুল ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মোকাদ্দেস (৫৫) ও আরজু শেখ (৪৫)। বাকি দুই আসামি অজ্ঞাতনামা।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর অভিযোগ, সংসারে অভাব থাকায় বিভিন্ন জায়গায় কাজ খুঁজছিলেন তিনি। এরই একপর্যায়ে নজরুলের সঙ্গে পরিচয় হলে তিনি সৌদি আরবে লোক পাঠান বলে জানায়। তিনিও সেখানে যেতে চাইলে পাসপোর্ট এবং ভিসা বাবদ তার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা নেন নজরুল। পরে গত ১৩ আগস্ট নজরুল পাসপোর্ট, ভিসা ও প্রশিক্ষণের জন্য তাকে লস্করপুর নানা বাড়ি থেকে ঢাকার দারুস সালাম থানার ওভার ব্রিজ সংলগ্ন মোকাদ্দেসের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে নজরুল, মোকাদ্দেস, আরজু শেখসহ আরও অজ্ঞাতনামা দুই জন তাকে কয়েক দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এরই এক পর্যায়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর ভোরে ওই বাসা থেকে তিনি কৌশলে পালিয়ে মাগুরায় আসেন।
মাগুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, বাদীর মামলার প্রেক্ষিতে নজরুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।