মৃত বাবুলের বড় বোন জাহানারা বেগম বলেন, ‘পাঁচ দিন ধরে জ্বরে আক্রন্ত ছিল বাবলু। চিকিৎসকদের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাবলু জরুরি বিভাগে আনা হয়। এ সময় রোগীকে বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়ে আসতে বলেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক। কিন্তু বহির্বিভাগ থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসা না পেয়ে হাসপাতালের ফ্লোরে দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় তার মৃত্যু হয়।’
বিষয়টি অস্বীকার করে খুমেক হাসপাতালের পরিচালন ডা. এটি এম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ওই রোগী জ্বর, সর্দি নিয়ে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মেডিসিন কনসালট্যান্টকে দেখানোর জন্য হাসপাতালের বহির্বিভাগের রেফার্ড করেন। রোগী মেডিসিন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া পথে মারা যায়।’
বাবুল বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার জয়বাংলা সেতু এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো।