উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত কমিশনার ড. মো. নেয়ামুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মফিজুর রহমান সজন প্রমুখ।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তের থার্মাল স্ক্যানার ২টি স্টেশনের অনেক উপকারে আসবে। যেসব ড্রাইভাররা ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াত করবে তাদের করোনা আছে কিনা জানা যাবে। পাশাপাশি যারা সিএন্ডএফ কর্মচারী কাস্টমস হাউজে পেপারস নিয়ে আসেন তাদেরকে ও করোনা পরীক্ষার আওতায় আনা হবে।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপার উভয় দেশে যাতায়াত করে। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভারত ও বাংলাদেশ উভয় বন্দরে ডিজ ইনফেকটেড ট্যানেল ও থার্মাল স্ক্যানার বসানো হয়েছে।