এ নিয়ে জেলায় করোনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের করোনা সেলের মুখপাত্র ডা. প্রসেনজিৎ র্পাথ বিশ্বাস।
তিনি জানান, ১ জুলাই সাংবাদিক হাফিজুর রহমান করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঝিনাইদহে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে (শিশু হাসপাতাল) ভর্তি হন। শারীরিক আবস্থায় অবনতি হলে গত ১৭ জুলাই ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার ভোরে মারা যান তিনি।
এদিকে ঝিনাইদহ ট্রাফিক পুলিশের এসআই শরিফুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ৯ জুলাই ঝিনাইদহে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার (২৫ জুলাই) বেলা ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া ঝিনাইদহ পৌরসভার আরাপপুর খাঁ পাড়া শতবর্ষী সিতাব উদ্দীন গত ১৭ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হয়ে জেলার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। আরাপপুর সিটি কলেজ পাড়ার সাহিদা রহমান ২০ জুলাই সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। নমুনা পরীক্ষায় ২২ তারিখ রাতে পাওয়া রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে। এরপর শুক্রবার ভোররাতে তার মৃত্য হয়।
ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) উপ-পরিচালক আব্দুল হামিদ খান জানান, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গে মারা যাওয়া মোট ৩২ জনের লাশ দাফন করেছে ইফা কমিটি।