কয়রা উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের একটি সদিচ্ছাই হয়তো অন্য একজন মানুষের প্রয়োজনের খোরাক হতে পারে। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের ব্যবহারের অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয়, কিন্তু ব্যবহারযোগ্য অনেক শীতের পোশাক-পরিচ্ছদ নিজগৃহে রয়ে যায়। একটা সময় এই পোশাকগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। অথচ একটু আন্তরিকতাতেই হয়তো কোনও শীতার্ত মানুষ ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন। সমাজের বিত্তবান, স্বচ্ছল মানুষের প্রতি মানবিক আবেদন, আপনাদের অব্যবহৃত জামা কাপড়সহ অন্যান্য জিনিসপত্র এই দেয়ালে রেখে যাবেন। আর অস্বচ্ছল মানুষ এখান থেকে তা নিয়ে চাহিদা মেটাবে।’
কয়রার ওয়াসকুরুনী আহমেদ বলেন, ‘যা প্রয়োজন নেই, তা এখানে রেখে গেলে অসহায় মানুষ এখান থেকে নিতে পারবেন। এ ধারণাকে সামনে রেখে শীতার্ত/বস্ত্রহীন মানুষের কষ্ট লাঘবে এ বছর মানবতার দেয়ালের কাজ শুরু হয়েছে।’
কয়রার তৌফিক ইসলাম বলেন, মানবতার দেয়াল আইডিয়াটা ভালো হয়েছে। এখন এখানে স্বচ্ছল মানুষে এগিয়ে আসাটা জরুরি। তাহলে অস্বচ্ছলতা মানুষগুলো এ উদ্যোগের সুফল পাবেন। এ কার্যক্রমের সফলতা আসবে।