মামলায় বিশ্বাস ভঙ্গ করে ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া ও মামলা করাসহ জীবন নাশের হুমকির অভিযোগ করে ৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম মো. ফারুক ইকবাল পারটেক্স গ্রুপের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন।
তারা হলেন পারটেক্স পিভিসি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ঢাকার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম, সাবেক বিক্রয় প্রতিনিধি সাহাবুদ্দিন, জাবেদ মেহেদি হাসান, সঞ্জীত মণ্ডল।
বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান বলেন, আদালত কবিরুল ইসলাম ওরফে কবির ও আজিজ আল কায়সার টিটুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেননি। বাকি চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিচারের জন্য আমলে নিয়েছেন।
আদালতের অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, মহানগরীর খানজাহান আলী রোডের মেসার্স আবির ট্রেডিংয়ের মালিক শহীদুল ইসলাম পারটেক্স পিভিসি ডোরস লিমিটেডের সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন করতেন। কিন্তু টাকা পরিশোধ করার পরও একই টাকা আবার দাবি এবং অর্ডার অনুযায়ী মালামাল না দিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবির কারণে কোম্পানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়।
এছাড়া ‘তার কাছে কোনও টাকা পাওনা নেই’ মর্মে কোম্পানির ৪ বিক্রয় প্রতিনিধি ২০১৫ সালের ২৯ আগস্ট লিখিত অভিযোগ দেন। এরপরও সহকারী মহাব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম টাকা পরিশোধ করা হয়নি- দাবি করে ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঢাকায় দুটি মামলা করেন। যার একটিতে তিনি খালাস পেয়েছেন।
/জেবি/এএইচ /