কয়রা-দাকোপ-পাইকগাছায় ১১শ’ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছায় এক হাজার ১৩৯টি কাঁচাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে এই তিন উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া ৫৩ হাজার ৭১৯ জন বাড়ি ফিরে গেছেন।

দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্টু বিশ্বাস বলেন, ‘দাকোপের ১১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪১ হাজার ৭৮২ জন আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাতে ও সকালে সকলেই নিজ নিজ ঠিকানায় চলে গেছেন। ঝড়ে ৫৮২টি কাঁচাঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু এলাকায় গাছপালা পড়ে গেছে। সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ থাকা বাঁধ না লাগলেও ফাটল ধরেছে ও হালকা ধসে গেছে।’

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘সিত্রাংয়ের প্রভাবে কয়রার ১১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে আট হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। সকালে নিজ নিজ ঠিকানায় চলে গেছেন তারা। এখানে ৩৫০টি কাঁচাঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর দক্ষিণ বেদকাশি ও আমাদীতে বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়েছে।’

কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল ভোরে হরিণখোলায় যে বাঁধটি ধসে পড়ে ছিল, স্বেচ্ছাশ্রমে তা দুপুরের মধ্যে কিছুটা আটকানো সম্ভব হয়। রাতের ঝড়ে ওই বাঁধে আর কোনও ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বাধটি ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। জোয়ারের চাপ বাড়লেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।’

পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, ‘পাইকগাছায় ২০৭টি কাঁচাঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই উপজেলার ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে তিন হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। সকালে বাড়ি ফিরে গেছেন তারা।’