খুলনার বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ১০-১৫ টাকা কমলেও এখনও দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাণ্ডবের প্রভাবের পরই খুলনায় সবজির দাম বাড়ে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫, রসুন ৮০ থেকে ৯০, আলু ২৮ থেকে ৩০, কাঁচা মরিচ ৪০, শীতকালীন শিম ৮০, গাজর ১৫০, মিষ্টি কুমড়া ৪০-৪৫, ঢেঁড়স ৬০, বেগুন ৬০-৭০, পেঁপে ২০, মুলা ৩০, পটল ৩০-৩৫, লালশাক, ঘিকাঞ্চন শাক ৩০-৪০, লাউ শাক ৫০ টাকা কেজিও দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুলনার ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার জানান, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে সবজি ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ কম হচ্ছে। তাই আগে দাম বেশি ছিল। এখন সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। দাম সামান্য কমেছে। জোগান বাড়লে আরও দাম কমবে।
নগরীর ময়লাপোতার সন্ধ্যা বাজারে ক্রেতা ইকবাল মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, পাঁচ-ছয় দিনের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম কমলেও নাগালের মধ্যে আসেনি।
ব্যবসায়ী মো. শফিক বলেন, বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমবে। এখন কেবল শীতকালীন সবজি উঠতে শুরু করেছে।
ক্রেতা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, এখন বাজার সবজিতে ভরপুর। কিন্তু দাম কমলেও নাগালের মধ্যে আসছে না।
খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে সবজির তেমন ক্ষতি হয়নি। আর এ জন্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কথা না। শীতকালীন সবজির সরবরাহ আরও বাড়লে দাম আরও কমবে।
খুলনা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা শাহরিয়া আকুঞ্জি বলেন, কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি রাখছেন। তবে বাজার যথারীতি মনিটরিং করা হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের শনাক্তে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। শীতকালীন সবজির দাম দ্রুত সাধারণ ক্রেতার নাগালের মধ্যে চলে আসবে।