বৃহস্পতিবার উপস্থিত থেকে ওইসব জমির গম পুড়িয়ে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশাফুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএডিসি’র মহাব্যবস্থাপক (বীজ) আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (খামার) মুজিবুর রহমান, যুগ্ম পরিচালক (বীজ পরীক্ষা) আশুতোষ লাহুড়ী, প্রকল্প পরিচালক বিপন কুমার মণ্ডল, প্রকল্প পরিচালক (ঢাকা) প্রদীপ চন্দ্র দে, অতিরিক্ত পরিচালক মাঠ প্রশাসন মেহের আলী, আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা অশোক কুমার হালদার, যুগ্ম পরিচালক জামিলুর রহমান, যুগ্ম পরিচালক (ফরিদপুর) দেবদাস শাহা প্রমুখ।
বিএডিসি’র মহাব্যবস্থাপক (বীজ) আমিনুল ইসলাম জানান, ১৯৮৫ সালে ব্রাজিলে প্রথম এই রোগ দেখা দেয়। ৩১ বছর পর আমাদের দেশে বৃহত্তর যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলে গমে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। আশপাশের জমির ফসল রক্ষায় প্রশাসনের নির্দেশে এসব জমির গম ধ্বংস করা হয়েছে।
দিনাজপুরের গম গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শীষ বের হওয়ার সময় ফেব্রুয়ারি মাসে খুলনা বিভাগের ৫টি জেলায় অধিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় এবং তাপমাত্রা বেশি থাকায় বারি ২৬ জাতের গমে ব্লাস্টের প্রাদুর্ভাব হয়।
/এসএনএইচ/টিএন/