কুষ্টিয়া ও নড়াইলে হাত-পা-মুখ বাঁধা দুই নারীর লাশ উদ্ধার, হত্যাকাণ্ড বলছে পুলিশ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ডোবা থেকে এক নারীর ও নড়াইলের কালিয়ায় চিত্রা নদীর তীর থেকে আরেক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ও দুপুরে তাদের লাশ উদ্ধা করা হয়। এর মধ্যে একজনের হাত-পা ও মুখ বাঁধা আরেকজনের মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল। দুটিকে হত্যাকাণ্ড বলছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দুপুরে ভেড়ামারায় খায়রুন নেছা (৭৫) নামে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের রামচদ্রপুর এলাকার একটি ডোবা থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত খাইরুন নেছা রামচদ্রপুর এলাকার মৃত আব্দুল জবারের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত থেকে খায়রুন নেছাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে দুইশ গজ দূরে একটি ডোবার মধ্যে লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল এবং মাথার পেছন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। 

ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‌‘এটি হত্যাকাণ্ড। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন করা হবে।’

অপরদিকে, কালিয়া উপজেলার পাঁচগ্রাম ইউনিয়নের পিরোলীস্থান কবরস্থানের পাশে চিত্রা নদীর তীর থেকে অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বেলা ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিরোলীস্থানের কবরস্থান সংলগ্ন চিত্রা নদীর তীরে অজ্ঞাত একটি লাশ দেখেন স্থানীয় কয়েকজন জেলে। তারা থানায় খবর দিলে কালিয়া পুলিশ বেলা ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে। যার আনুমানিক বয়স ৩০ বছর থেকে ৩৫  বছরের মধ্যে। ওই নারীর মুখ মাফলার দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল।

ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ওই নারীর মুখ মাফলার দিয়ে বাঁধা অবস্থায় থাকায় এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে।’