বাগেরহাটে এক কিশোরীর গলাকাটা ও খুলনায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর চার বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে কিশোরীর ও সোমবার রাতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাগেরহাট
শরণখোলায় বাড়ির পাশের রাস্তায় পড়ে থাকা ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কিশোরী তার নানির কাছে থাকতো। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন গ্রামে রাস্তায় গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ জানায়, কিশোরীর বাবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তার মা-বাবা সেখানেই থাকেন। কিশোরী শরণখোলায় তার নানির বাড়িতে তার সঙ্গে থাকতো। আজ ফজরের নামাজ পড়তে মুসল্লিরা মসজিদে যাওয়ার সময় রাস্তার ওপর কিশোরীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশে খবর দিলে মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।
শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সামিনুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।’
খুলনা
খুলনায় নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর চার বছরের শিশু জান্নাতুল মাওয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার হরিণটানা গেট সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিশুটি নগরের লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা গ্রামের রায়পাড়া কালভার্ট এলাকার বাসিন্দা মো. শাহ জালালের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, গতকাল দুপুরে মা-বাবার সঙ্গে সাচিবুনিয়া মোহাম্মাদপুর এলাকায় মামার বিয়ের দাওয়াতে যায় জান্নাতুল। সেখানে তার বাবার দূরসম্পর্কের এক আত্মীয় আইসক্রিম খাওয়ানোর কথা বলে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। মেয়ের ফিরে আসতে দেরি হলে মা ফোন করলে অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, জান্নাতুল আইসক্রিম খাচ্ছে এবং আসতে দেরি হবে। কিছুক্ষণ পর থেকেই ওই ব্যক্তির ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তুহিনুজ্জামান বলেন, ‘দুপুরের পর থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে শিশুটিকে খোঁজাখুঁজি করেন। না পেয়ে শিশুটির বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা হরিণটানা গেট সংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহের পাশে একটি দড়ি পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।’