দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই, পরিকল্পিত লোডশেডিংয়ের সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী 

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই। ফলে পরিকল্পিত লোডশেডিং করার সুযোগ নেই। কোথাও কোথাও ঝড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে। দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।’

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

যশোর ঈদগাহে প্রথম জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ৭টায়। এতে অংশ নেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা পরিষদ প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রমুখ। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মুসল্লিরা। একই স্থানে ঈদের দ্বিতীয় নামাজ হয় সকাল সাড়ে ৮টায়। জেলার আটটি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী মুসল্লিদের উদ্দেশে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বিকাল ৪টার মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যারা কোরবানি করবেন, তারা দুপুর ২টার মধ্যে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলবেন। তাহলে পৌরসভার কর্মীরা দ্রুত সেগুলো অপসারণ করতে পারবেন। বিকাল ৪টার পর ময়লা ফেলা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা অপসারণ করা সম্ভব হবে না।’

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ঈদের আনন্দ যেন কোনও দুর্ঘটনায় ম্লান না হয়, সেজন্য মোটরসাইকেল চালকদের সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি বাইকারদের উদ্দেশে বলেন, ‘সড়কে ধীরগতিতে চলাচল করুন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন।’

একই সঙ্গে তিনি আত্মশুদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘কোরবানির পাশাপাশি আমাদের অন্তরের পশুত্বকেও কোরবানি করতে হবে।’

ঈদের নামাজ শেষে জেলার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় পশু কোরবানির প্রস্তুতি। শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত সর্বত্র গরু, ছাগল ও অন্যান্য পশু কোরবানিতে ব্যস্ত সময় পার করেন মুসলমানরা। কোথাও কোথাও স্বেচ্ছাসেবী দল ও পৌরসভার কর্মীদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমেও সক্রিয় দেখা গেছে।