বাগেরহাটের রামপালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষার্থী ও একজন নারী অভিভাবক চিপস খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম মৈত্রী হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, উপজেলার বড় দূর্গাপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি দোকান থেকে সোমবার দুপুরে চিপস কিনে খাওয়ার পর তাদের বিষক্রিয়ার উপসর্গ দেখা দেয়। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটে ব্যথা, বমি ও শারীরিক অস্বস্তি দেখা দেয়। এর ফলে তাদের দ্রুত রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রস্থ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলেন প্রাপ্তি অধিকারী (১০) তুফান শেখ (১৩) রাজদীপ (১০) আখিরা (১১) লামিয়া (১১) জান্নাতুল (১০) আরহী মন্ডল (৫) রাহুল মন্ডল (৮) সৃস্টি বিশ্বাস (১০) ফাতেমা আক্তার (৮) আমবিকা (৬) প্রোভাতী (১০) বছর ও দিপিকা হালদার (অভিভাবক) (২৮)। এদের মধ্যে জান্নাতুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ার তাকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
মৈত্রী হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডা. সাকিব রেজোয়ান জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনকে মৈত্রী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৈত্রী হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করা হয়েছে। সেখানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।