খুলনা মহানগরীর কাশেম নগর সড়কে আসাদুজ্জামান জনি (২৭) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করা অস্ত্রধারীদের শনাক্ত করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদের শনাক্ত করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকালে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন এ তথ্য বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তারা কারা জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘তারা একটি গ্রুপের সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই দুই অস্ত্রধারীর নাম-ঠিকানা প্রকাশ করছি না। আমরা তাদের অবস্থানও শনাক্ত করেছি। তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান নজরে রাখা হচ্ছে। ঘন ঘন স্থান বদল করছে। আবার চাতুর্যময় অবস্থান নিচ্ছে। আশা করছি, প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। গ্রেফতারের পর বিস্তারিত জানানো হবে।’
এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় আসাদুজ্জামান জনিকে গুলি করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন জনি। হঠাৎ একটি মোটরসাইকেল এসে তার সামনে দাঁড়ায়। মোটরসাইকেল থেকে মাস্ক পরা দুজন অস্ত্রধারী নামে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল চালককে কোমর থেকে পিস্তল বের করতে দেখে দৌড় দেন জনি। ওই অবস্থায় মোটরসাইকেল চালক একটি গুলি করে। দৌড়রত অবস্থায় জনিকে আরেকটি গুলি করে ওই চালক। এর মধ্যে একটি গুলি জনির কোমরের ডান পাশের নিচে বিদ্ধ হয়। পরে মোটরসাইকেলে চড়ে চলে যায় অস্ত্রধারীরা।
পুলিশ জানায়, গুলিতে আহত হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন জনিকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহত জনি ওই এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে এবং বটিয়াঘাটায় জিএমআই গ্যাস কোম্পানিতে অপারেটর হিসেবে চাকরি করেন।
তারা কেন গুলি করেছিল জানতে চাইলে সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন বলেন, ‘তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, আহত ব্যক্তি সুস্থ হলে তার সঙ্গে কথা বললে এর কারণ জানা যাবে।’