জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে বাড়ছে বাল্যবিবাহ: গণনা হচ্ছে না অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বুড়ি গোয়ালিনি ইউনিয়নের পূর্ব দুর্গাবাটি গ্রামটি ভয়াবহ ভাঙনপ্রবণ এলাকা। সেখানেই কথা হয় দিনমজুর জলিল গাজীর স্ত্রী পারুল খাতুন আর তার কিশোরী কন্যা পারভিনের সঙ্গে। পোড়াকাটলা দীপায়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী পারভিন। নদীর পারে জরাজীর্ণ একটা টিনের ঘরে বাবা মার সঙ্গে থাকে সে। ঘরের পাশেই চুনা নদী। যেকোনও সময় তাদের ঘরটি নদীর ভাঙনে পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। পারভিনের বড় ভাই খুলনা শহরে অটো চালান। সমিতি থেকে লোন নিয়ে তাকে অটো কিনে দেওয়া হয়েছে। পারুল খাতুন চাইছেন পারভিনকে দ্রুত বিয়ে দিয়ে দিতে। তার ভাষায়, ‘সেয়ানা মেয়ে, আমাদের বাড়ি-ঘর নেই, থাকার জায়গার এত অভাব, যেকোনও সময় ঘর নদীর পানিতে ডুবে যেতে পারে। মেয়ে ঘরে রাখবো কীভাবে?’

পারভিন অবশ্য এখনই বিয়ে করতে রাজি না। তবে মা-বাবার দুশ্চিন্তার কারণ সে বোঝে। পারভিন জানালো, স্কুলে ফাইভ-সিক্সে যেখানে তার সঙ্গে ২০ থেকে ২৫ জন মেয়ে পড়তো, এখন সেখানে আছে সাত থেকে আট জন। বাকি সবারই সিক্স-সেভেনে পড়ার সময় বিয়ে হয়ে গেছে। সে নিজে কতদিন বিয়ে ঠেকিয়ে রাখতে পারবে, তা তার জানা নেই।

পারভিন (ডানে) ও তার মা পারুল (বামে)

শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জ বাজারের কাছে মালঞ্চ নদীর পারে রোজিনার নানী বাড়ি। সুন্দরবন গার্লস স্কুলের ছাত্রী ছিল সে। কোলে আড়াই বছর বয়সের ছেলে সন্তান। এইটে পড়ার সময় একই গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। বিয়ের এক বছরের মাথায় সন্তানের জন্ম। পড়াশোনা আর হয়নি। স্বামী ঢাকায় সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করে। রোজিনা বললো, ওদের ক্লাসে দুই জন মুসলমান ছাত্রী ছিল, দুজনেরই অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে গেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বী পাঁচ-ছয় জন এসএসসি পাস করে শ্যামনগর কলেজে পড়াশোনা করছে।’

সন্তান কোলে রোজিনা  

শ্যামনগরের দাঁতিনাখালি, বুড়িগোয়ালিনি, কলবাড়ি, গুচ্ছগ্রাম, নীলডুমুর, দুর্গাবাটি, কৈখালি ইত্যাদি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,  গ্রামের অনেক মেয়েই বাল্যবিয়ের শিকার। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ কথা কেউ স্বীকার করছে না। বুড়ি গোয়ালিনির একজন উন্নয়নকর্মী খাদিজাতুল কোবরা কথায় কথায় জানালেন, কিছু দিন আগে দাঁতিনাখালি গ্রামে ১৬ বছর বয়সী কিশোরের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সী এক মেয়ের বিয়ে হওয়ায় স্থানীয় পত্রদূত পত্রিকায় সেই খবর ছাপা হয়। পত্রিকার পক্ষ থেকে শ্যামনগর থানার কর্মকর্তাকেও বিষয়টি জানানো হয়। শ্যামনগর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ছেলের বাবাকে তলব করলে জানা যায়, ঘটনার পর থেকে ছেলে ও মেয়ের বাড়ির সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

মালঞ্চ নদীর পারে কলবাড়ি গুচ্ছ গ্রামের কাকলি জাল ঠেলে বাগদা চিংড়ির পোনা ধরেন। তিনি জানালেন, ১২ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে স্বামীর সংসার করতে পারেননি, চার বছরের কন্যাসন্তান নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে এসেছেন। অল্প বয়সে বিয়ে এবং সন্তান হওয়ায় শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন তিনি।

বাল্য বিয়ে বাংলাদেশে নতুন ঘটনা নয়। ১০০ বছর আগেও সামাজিক প্রথা হিসেবে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ের প্রচলন ছিল। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা ও সচেতনতার মাধ্যমে নারীদের অবস্থান অনেক পরিবর্তন হলেও এখনও বাল্যবিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করা যায়নি। ২০২৫ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের জরিপে দেখা যায় বাংলাদেশে ৪৭.২ শতাংশ নারীরই ১৮ বছর বয়সের আগে বিয়ে হয়েছে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি আইআরসি তাদের এক সমীক্ষায় জানায়, বাংলাদেশের অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে ভোলা ও সাতক্ষীরায় বাল্যবিবাহের হার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের জরিপে উপকূলীয় অঞ্চলে বাল্যবিয়ের হার ৩৯ শতাংশ।

এ প্রসঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির রিজিওনাল অ্যাডভোকেসি স্পেশালিস্ট সাবিরা নূপুর বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ, জীবিকা হারানো, বাস্তুচ্যুতি বা দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতি পরিবারগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে এবং বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। 

উপকূলীয় এলাকার একটি ঘর  

এছাড়াও ২০২৩ সালে উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের ‘বর্ন টু বি অ্যা ব্রাইড’ শিরোনামে দেশের ২৭টি জেলায় করা জরিপ প্রতিবেদনের হিসাবে দেখা যায়, ২৭টি জেলার মধ্যে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরে সবচেয়ে বেশি,  প্রায় ৭৩ শতাংশ বাল্যবিবাহ সংঘটিত হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালার আওতায় চিহ্নিত দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার মধ্যে সাতক্ষীরা ও পিরোজপুর অন্যতম। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট যেকোনও ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং মৌসুমি নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব পড়ে এই জেলাগুলোতে।  অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ বা ঘূর্ণিঝড় ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে জেলাগুলোকে বিবেচনা করা হয়।

কথা হয় পিরোজপুরের কাউখালি উপজেলার বিজয়নগর গ্রামের মেয়ে শিউলির সঙ্গে। কচা নদী ভাঙনের কারণে তার পরিবার বেকুটিয়া গ্রাম ছেড়ে বিজয়নগরে আশ্রয় নেয়। ১২ বছর বয়সে তারচেয়ে তিনগুণ বয়সী দিনমজুর জামালের সঙ্গে বিয়ে হয় শিউলির এবং পর পর চারটি সন্তান জন্ম নেয়। দুই বছর আগে তার স্বামীও মারা যায়। ৩০ বছর বয়সী শিউলির শরীর ও চেহারায় দারিদ্র্য ও অপুষ্টির ছাপ স্পষ্ট। দুই ছেলেকে এতিমখানায় দিয়ে, মানুষের বাড়িতে কাজ করে এবং সরকার প্রদত্ত বিধবা ভাতা সম্বল করে বাকি দুই ছেলেকে নিয়ে কোনোরকমে বেঁচে আছে সে। 

শিউলি ও তার সন্তান
কাউখালির বাসিন্দা গৃহকর্মী নার্গিস আক্তারের বিয়ে হয়েছিল ১৩ বছর বয়সে। তার স্বামী রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজ করে। নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে পিরোজপুর সদরে ভাড়া বাসায় থেকে ৫টি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করেন নার্গিস। তিনি নিজের মেয়ে নাদিরা আখতারকে বিয়ে দিয়েছেন ১৪ বছর বয়সে। কারণ হিসেবে বললেন, ‘একলা ঘরে থুয়ে কাজবাজ করি, চারদিকের পরিবেশ ভালো না, একা মেয়েকে ঘরে রেখে কাজে যেতে ভয় লাগে। তাই বিয়ে দিয়ে দিছি।’

পিরোজপুরের জিয়ানগরের সাইয়েদখালি চরের গৃহবধূ লাইজুর বিয়ে হয় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময়। তার কাছেই জানতে পারি, চরে বেশির ভাগ সময় ১৮ বছরের আগেই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। তবে প্রশাসন জানতে পারলে বিয়ে বন্ধ করে দেয় এবং জরিমানা করে বলে বিয়ের খবর অধিকাংশ সময়ই গোপন রাখা হয়।
    
বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত এই পরিবারগুলো জীবিকার জন্য কৃষিকাজ ও মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বা অন্যান্য জলবায়ুজনিত চাপ পরিবারের জীবিকা, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর বিদ্যমান সংকটকে আরও তীব্র করে। এর ফলে মেয়েদের বাল্যবিয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 

পিরোজপুর মহিলা পরিষদের সভাপতি খালেদা আখতার হেনা জানান, জেলার তৃণমূল পর্যায়ে বাল্যবিবাহের হার বেশি। পিরোজপুরের ইউএনও মামুনুর রশিদ বলেন, উপজেলায় বাল্যবিয়ের সংখ্যা কত তার সঠিক পরিসংখ্যান তাদের কাছে না থাকলেও বাল্যবিয়ের হার যে বেশি সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। প্রশাসন থেকে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে, কিন্তু সচেতনতার অভাবে এ বিষয়ে খুব বেশি সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে, লুকিয়ে অন্য গ্রামে গিয়ে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।   

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে বাল্যবিয়ে বাড়ার কিংবা টিকে থাকার একটা লুকানো সংযোগ আছে। তরুণ পরিবেশকর্মী ও ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ে। মানুষের ফসলের ক্ষতি হয়, ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়, নদীভাঙনের ফলে অনেকের বাস্তুচ্যুতি ঘটে। যেকোনও দুর্যোগের পর পরিবারগুলোর আর্থিক সংকট ও নিরাপত্তাহীনতা বেড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সহজে ঘুরে দাঁড়াতে পারে না। এর প্রভাব পড়ে পরিবারের কন্যাসন্তানটির ওপর। মেয়েটিকে পড়ালেখা শেখানোর চাইতে দ্রুত তাকে বিয়ে দিতে পারলেই ঘাড়ের ওপর থেকে একটা দায়িত্ব কমবে বলে মনে করা হয়।’    

বাঁধের পাশে বসবাস  

বাল্যবিয়ের কারণে সমাজে বা রাষ্ট্রে কী পরিমাণ অ-অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় তা সাধারণত আলোচনায় আসে না। এ প্রসঙ্গে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, ‘বাল্যবিয়ে মেয়েদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যতের সুযোগকে সীমিত করে। এছাড়া যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে তীব্র ঝুঁকিও তৈরি করে। বাল্যবিয়ের শিকার কিশোরী নিজের জীবন ও শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারায়, এছাড়া তার মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক ভালো থাকার অধিকারের ওপরও এটি গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। এসব ক্ষতি শুধু অর্থনৈতিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব নয়। অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ার ফলে একটি মেয়ে শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ হারায়। পাশাপাশি তার জ্ঞান ও সক্ষমতার বিকাশ, ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং নিজের জীবনের গতিপথ বেছে নেওয়ার সুযোগও নষ্ট হয়। একই সঙ্গে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা এবং স্বামী বা পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ায়। এসব ক্ষতি অর্থমূল্যে পুরোপুরি পরিমাপ করা সম্ভব নয় এবং এগুলো বাল্যবিবাহের গুরুত্বপূর্ণ অ-অর্থনৈতিক প্রভাব। 

এই শিশুরাও বাল্যবিয়ের ঝুকিমুক্ত নয়

আইআরসির সাবিরা নূপুর বলেন, বাল্যবিয়ে একটি মেয়ের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং নিজের জীবনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে সীমিত করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিয়ের পর তার পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় বা বন্ধ করে দেয়া হয়। সামাজিকভাবে তথ্য পাওয়া ও যাতায়াতের পরিসর সংকুচিত হয় এবং সহিংসতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।   

সাতক্ষীরা জেলার মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার বলেন, ‘বাল্যবিয়ের ক্ষেত্রে দারিদ্র্য একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, সেটা অনেক সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তৈরি হয়। একটা পরিবারের যখন জীবন জীবিকা নিয়ে সংকট থাকে, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকে না, তখনই মূলত বাবা-মা পরিবারের কন্যাসন্তানটিকে বোঝা মনে করে দ্রুত বিয়ে দিয়ে দায় সারতে চায়। কিন্তু বাস্তবে অল্প বয়সী মেয়েটি না বোঝে সংসার, না বোঝে অ্যাডজাস্টমেন্ট, না থাকে তার কোনও আয় রোজগার। কম বয়সে সন্তান হওয়ায় শরীর ভেঙে পড়ে, স্বামীর ভালোবাসাও পায় না, শেষ পর্যন্ত দেখা যায় বিয়ে ভেঙে গেছে বা মেয়েটি গার্হস্থ্য সহিংসতার শিকার হচ্ছে।’ সাতক্ষীরায় বাল্যবিয়ের হার যেমন বেশি, তেমনি প্রতিরোধও বেশি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে হলে শুধু আইন প্রয়োগ বা সচেতনতা নয়, শিক্ষা অব্যাহত রাখা, সামাজিক সুরক্ষা, কিশোরী মেয়েদের সুরক্ষা এবং পরিবারের সদস্যদের মানসিক দৃঢ়তা থাকা জরুরি। পাশাপাশি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারি নজরদারি ও সামাজিক আন্দোলন জারি রাখাও দরকার।  
 
(প্রতিবেদনটি আর্থ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় তৈরি করা হয়েছে)