১১ দলের লংমার্চের গাড়িবহর পৌঁছানোর আগে স্বাগত তোরণে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ

খুলনা থেকে ফুলতলাগামী ১১ দলের লংমার্চের গাড়িবহর পৌঁছানোর আগে ফুলবাড়িগেট এলাকায় একটি স্বাগত তোরণে আগুন দেওয়া হয়েছে। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে লংমার্চের গাড়িবহর নির্বিঘ্নে ওই এলাকা অতিক্রম করে। গাড়িবহর পৌঁছানোর আগেই দুর্বৃত্তরা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে খুলনা-যশোর মহাসড়কের ফুলবাড়িগেট বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন এলাকায় তোরণে আগুন দেওয়া হয়। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে একই এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হেলমেট পরা কয়েকজন ব্যক্তি এসে পরপর চার থেকে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত সেখান থেকে সরে যায়। পরে তাদের শনাক্ত বা আটক করা সম্ভব হয়নি।

ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নারী-পুরুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

লংমার্চের গাড়িবহর ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় ১১ দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে ও স্লোগান দিয়ে দলীয় নেতাদের শুভেচ্ছা জানান।

খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ বলেন, ‌লংমার্চের গাড়িবহর ফুলতলার উদ্দেশে ফুলবাড়িগেট অতিক্রম করার কিছুক্ষণ আগে দুর্বৃত্তরা কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। এর আগেই কেন্দ্রীয় নেতাদের শুভেচ্ছা জানাতে নির্মিত একটি তোরণে আগুন দেওয়া হয়। তাতেও কেউ আহত হয়নি। এগুলো আতঙ্ক ছড়ানো ছাড়া কিছুই নয়। 

খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার বলেন, ‌‘বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ফুলবাড়িগেট শহীদ মিনার রোডে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত পাওয়া গেছে। এ ছাড়া একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের এক ঘণ্টা আগে একটি তোরণে আগুন দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে।’