ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ সন্তানদের সন্ধানে অনেকেই থানায় জিডি করেছেন। ইতোমধ্যে নিখোঁজদের তালিকা তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন স্থানে অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় নিখোঁজের তালিকায় সাতজন যুবক রয়েছেন। তবে এরা কী কারণে নিখোঁজ রয়েছে বা আদৌ তাদের সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত সুপার নুরে আলম জানান, জিডি অনুযায়ী নিখোঁজদের মধ্যে ভালুকায় একজন, ফুলবাড়ীয়ায় তিনজন, গফরগাঁওয়ে একজন, হালুয়াঘাটে একজন ও ধোবাউড়ায় একজন রয়েছে।
চলতি বছরের ৯ জুলাই গফরগাঁও থানায় দায়ের করা একটি জিডিতে উপজেলার ধামাইল গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে ফরহাদ মিয়া (১৬) নিখোঁজের কথা জানিয়েছেন।
২০১৫ সালের ২৩ মার্চ হালুয়াঘাট উপজেলার আকনপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন সাহার করা জিডিতে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে আব্দুর রহমান জ্যোতি (২৮) নামে একজনের নিখোঁজের কথা উল্লেখ করেছেন।
ধোবাউড়া থানায় গত ১১ জুলাই করা জিডিতে উপজেলার গোপিনপুর (দরগা শরীফ) গ্রামের রোকন উদ্দিনের ছেলে মুজাহিদুর রহমান (১৩) নিখোঁজের কথা উল্লেখ করেছেন।
সবচেয়ে বেশি নিখোঁজ রয়েছে ফুলবাড়ীয়া উপজেলায়। এ উপজেলার জোরবাড়িয়া মণ্ডলবাড়ি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (২৮) নিখোঁজ হওয়ায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি তার ভাই আবু সাঈদ জাহাঙ্গীর হোসেন একটি জিডি করেন। এদিকে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর করা জিডিতে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ভবানীপুর টানপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৬) নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার বাবা। একই উপজেলার কৈয়ারচালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের রফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. নায়েদুল্লাহ (১২) নিখোঁজ হওয়ার পর ২০১৫ সালের ১৩ মার্চ একটি জিডি করেন তার বাবা।
শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলার বড়গজনী গ্রামের মুমিত চন্দ্র সাংমার ছেলে রাজেশ কুবি (২৪) নিখোঁজ হওয়ার পর ভালুকা মডেল থানায় ২০১৬ সালের ১৮ এপ্রিল একটি জিডি করেন তার বোন শুভ্রা।
আরও পড়ুন: আইএস জঙ্গিদের গল্প পড়ানো হয় বরিশালের পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজে!
/এআর/এসটি/