জানা গেছে, চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বিএম শাখার ৩০৮ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন।
এরমধ্যে ২৯৭ জনের প্রবেশপত্র পাওয়া গেছে। বাকি সুমাইয়া বেগম, মোবারক হোসেন ও হুমায়ুনসহ ১১ জন পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসেনি।
পরীক্ষার্থী সুমাইয়া বেগম বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে প্রবেশপত্রের জন্য কলেজে ঘোরাঘুরি করেছি কিন্তু প্রবেশপত্র পায়নি। কলেজের শিক্ষকরা আশ্বাস দিলেও সোমবার সকালে পরীক্ষা দিতে এসে শুনতে পারি ১১ জনের আর পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে না। এটা শিক্ষাবোর্ডের গাফিলতি বা কলেজের শিক্ষকদের গাফিলতিও থাকতে পারে।
এ ব্যাপারে চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যথানিয়মেই ৩০৮ জন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করে বোর্ডে পাঠানো হয়েছে। ২৯৭ জনের প্রবেশপত্র এসেছে। ১১ জনের প্রবেশপত্র এখনও পাওয়া যায়নি। হয়তো কারিগরি বোর্ডের কোনও জটিলতার কারণে প্রবেশপত্র আসেনি। তাই তাদের চলতি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান সিদ্দিক বলেন, ‘বিষয়টি দুঃখজনক। ১১ জন পরিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি। তবে সঠিক তদন্ত অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।