সরিষাবাড়ি ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত সরিষাবাড়ি ফায়ার স্টেশনের পুরো ভবনজুড়েই সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ ফাটল। খসে পড়েছে পলেস্তারা। একই অবস্থা ফায়ার স্টেশনের কর্মীদের ব্যারাকেও। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে অবস্থান করতে হচ্ছে কর্মীদের। সরিষাবাড়ির ফায়ারম্যান আব্দুল হালিম ও ড্রাইভার গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমরা নিজেরা সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিয়ে থাকি, অথচ আমাদের থাকতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে। বর্তমানে এখানে ৩৫ জন কর্মী রয়েছেন। যেকোনও মহূর্তে আমরা দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারি।’
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ির ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. ইকবাল হাসান বলেন, ‘ ভবন সংস্কারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।’শুধু সরিষাবাড়ি নয়, জামালপুর জেলা সদরের ফায়ার স্টেশনের চিত্রও একই।
জামালপুর ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৬২ সালে এই ভবনটি নির্মিত হয়েছে। ২০১৪ সালে জামালপুর গণপূর্ত অধিদফতর এই ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। বর্তমানে এখানে ২৬ জন কর্মী রয়েছেন। জামালপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র স্টেশন অফিসার মো. নূর উদ্দিন অলি জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরও ভবন সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন ভবন নির্মাণ না হওয়ায় বা অন্য কোনও ভবন না থাকায় পরিত্যক্ত এই ভবনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে তাদের। এ ব্যাপারে গণপূর্ত বিভাগকে বারবার তাগিদ দিয়েও লাভ হয়নি। এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।