ইউএনও রুবেল মাহমুদ জানান, বুধবার রাতে কবির হোসেনের মেয়ে ৫ম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী তারিমার (১২) বিয়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কনের বাড়িতে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বিয়ে বন্ধ করা হয়। পরে এলাকার গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে বোঝানো হয়। কনের অভিভাবকরা তাদের মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবে না মর্মে মুচলেকা দেয়। এ সময় উপযুক্ত বয়স হওয়ার আগে এলাকার অপ্রাপ্ত ছেলে বা মেয়েকে যেন কোনও অভিভাবকই বিয়ে দিতে না পারেন সেদিকে দৃষ্টি রাখবেন বলে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অঙ্গীকার করেন।
বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পাওয়া শিক্ষার্থী তারিমা জানায়, সে লেখাপড়া করে নিজের জীবন গড়তে চায়।