রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে স্থানীয় পত্রিকা অফিসে সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধার উপস্থিতিতে এসব অভিযোগ করেন বৃদ্ধার ভাইপো জীবনানন্দ দাশ জীবন। ওই সংবাদ সম্মেলনে সম্পত্তি ফিরে পেতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন অসহায় নিঃসন্তান বৃদ্ধা প্রভা দে সরকার (৮২)।
লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্বামী নগেন্দ্র দে সরকার ১৯১৪ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় সরিষাবাড়ি উপজেলার বারইপাটল মৌজায় ৮ একর ৯৩ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এসব জমি ভোগ দখল করে আসছিলেন অমিয় প্রভা দে সরকার। তার কোনও সন্তান না থাকায় ভাইপো জীবন চন্দ্র দে তাকে দেখভাল করে আসছিল। কিন্তু মৃণাল কান্তি দেব নামে এক প্রভাবশালী প্রতিবেশী প্রভা দে সরকারের বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার সময় হাইকোর্টে মামলা পরিচালনার জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষমতা নেন। ওই ক্ষমতা নেওয়ার পর প্রতারণার মাধ্যমে বৃদ্ধার সমস্ত জমিজমা ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষমতাসম্পন্ন দলিল করে নেন তিনি। পরে তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বৃদ্ধার সঙ্গে প্রতারণার করে তার স্ত্রী আলো রানির নামে ১ দশমিক ১৮ একর জমি রেজিস্ট্রি মুলে লিখে দেন এবং আব্দুর রহমান মাস্টারের কাছে ২১ শতাংশ জমি বিক্রি করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রভাবশালী তপন দেব ও তার বাহিনীর অব্যাহত হুমকিতে তিনি ভাইপো জীবন চন্দ্রসহ লালন-পালনকারীদের জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ অবস্থায় সংবাদ সম্মেলনে অসহায় বৃদ্ধা প্রভা দে সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীসহ স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন ।
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে মৃণাল কান্তি দেব তপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কারও জমি দখল করিনি। অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট বলেন তিনি।
সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন জয় বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সামাজিকভাবে আলোচনা করে মীমাংসার চেষ্টা করা হবে।