নিহত সাজন পেশায় হকার এবং ইমন বাসের হেলপার ছিলেন। তারা দুজনেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সেতু সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, সাজন ও ইমন নিয়মিত শম্ভুগঞ্জ সেতুর নিচেই বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতেন। দুজনেই মাদকাসক্ত ছিলেন। সাজনকে শোধরাতে চার মাস বাড়িতে আটকেও রাখা হয়েছিল। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।
সাজনের বড় ভাই মো. রকি (২৫) জানান, তার ভাইয়ের সঙ্গে কারও পূর্ব বিরোধ বা শত্রুতা ছিল না।
আরও পড়তে পারেন:
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, নিহত দুজনের শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
/এনএস/এমএনএইচ/