এদিকে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার এবং হলগুলোতে ছাত্রলীগের ‘দখলদারীত্ব’ ও ‘সিট বাণিজ্যের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১টায় বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর দলীয় টেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ দাবি জানায়।
এর আগে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলে কক্ষ পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর কর্মী মনির ইসলামকে মারধর করে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় বাধা দিতে গেলে বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর দফতর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সবুজ ও কর্মী মিলনের সঙ্গেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতাহাতি হয়।
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে ছাত্রজোটের নেতাকর্মীরা যোগযোগ করতে চাইলে তিনি সাড়া দেননি বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়।
তার অভিযোগ অস্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মজিবুল হক আজাদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেননি। তবে এ ঘটনায় হল প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
তবে শহীদ হবিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ এক্রাম উল্যাহ বুধবার দুপুরে বলেন, তাদেরকে আজ সকাল ১০টার মধ্যে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছিলাম। কিন্তু এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি।
আরও পড়ুন:
জঙ্গি টার্গেট এখন আরও স্পষ্ট ও সংহত
/এনএস/টিএন/