জানা গেছে, সরকার ভূমিহীন অসহায় মানুষের জন্য ১৯৮৯ সালে সারিয়াকান্দি উপজেলার বোহাইল ইউনিয়নের যমুনার চরাঞ্চল দক্ষিণ ধারাবর্ষা চরে গুচ্ছগ্রাম প্রতিষ্ঠা করে। সেখানে ৮৫ অসহায়, দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। প্রতি পরিবারকে ১টি ঘর ও ১ দশমিক ০৮ একর জমি দেওয়া হয়। গুচ্ছগ্রামের পরিবারগুলো তখন থেকে ঘর ও জমি ব্যবহার করছেন।
অভিযোগ উঠেছে, ধারাবর্ষা চরের প্রভাবশালী রফিকুল খাঁ ও আব্দুর রশিদ খাঁর নেতৃত্বে গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে। ভূমিদস্যুরা গত ১৯ মের মধ্যে ঘর ও জমি ছেড়ে দেওয়ার আল্টিমেটাম দেন। গত ১৬ মে গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ভূমিদস্যুরা কিছুদিন নীরব থাকলেও গত মঙ্গলবার তাদের লাঠিয়াল বাহিনীর সদস্যরা গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দাদের ভয়ভীতি দেখায় এবং বাড়িঘর ঘেরাও করে রাখে।
এ ব্যাপারে বোহাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা টুকু তরফদার জানান, গুচ্ছগ্রাম থেকে উচ্ছেদের জন্য দুষ্কৃতিকারীরা মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিমের ঘরে হামলা করে গরু-ছাগল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। প্রতিবেশীরা বাধা দেওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিমসহ গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত পরিবারগুলো তাদের ঘরবাড়ি ও জমি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, পার্শ্ববর্তী জামালপুর জেলার সঙ্গে সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছে। সারিয়াকান্দির দক্ষিণ ধারাবর্ষার গুচ্ছগ্রামের জমি তাদের বলে দাবি করে আসছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে।
গুচ্ছগ্রামে কোনও হামলার ঘটনা তার জানা নেই বলে জানান মনিরুজ্জামান।
/এসএনএইচ/টিএন/
আপ: এইচকে