ছাত্রলীগ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলী হায়দার ‘পথের সাথী’ নামে একটি বাসে করে ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। ধুমপান ও বাসের সিটে বসা নিয়ে বাসের এক কর্মচারীর সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয় ওই শিক্ষকের। পরে ওই শিক্ষক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জানালে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে অবস্থান নেয়। সেখানে বাসটি এসে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা ওই কর্মচারীর ওপর হামলা চালায়। পরে ওই কর্মচারী একটি চায়ের দোকানে ঢুকে পড়ে। এসময় চায়ের দোকানদার বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা নেতাকর্মীদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে আসে।
তবে আলী হায়দার দাবি করেন, তার সঙ্গে কোনও ঝামেলা হয়নি। তিনি কাজলা গেটে বাস থেকে নেমে মারামারি ঘটনা দেখে রিকশা নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাঞ্জু বলেন, আমাদের কয়েকজন ছেলে কাজলায় ছিল। ওই শিক্ষক সেখানে নেমে বকাবকি করছিল ওই কর্মচারীকে। তখন তারা কয়েকজন সেখানে যায় এবং ওই কর্মচারীকে ধাওয়া করে। তখন ওই চায়ের দোকানে ঢুকে পড়ে।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর বলেন, রাবির এক শিক্ষকের সঙ্গে বাসের এক কর্মচারীর ঝামেলা হয়। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও স্থানীয়দের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছে।
/এআর/