বগুড়ার দুপচাঁচিয়া পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ, পরিবহন শ্রমিক সংগঠন ও কাঁচাবাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সোমবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।
এদিকে, পৌর মেয়র বিএনপি নেতা বেলাল হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেন।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মেয়র বেলাল হোসেনের ইন্ধনে বর্তমান সরকারকে উচ্ছেদ আন্দোলনে জ্বালাও পোড়াও এবং নাশকতার ঘটনা ঘটে। পৌরসভায় নিয়োগ, টেন্ডারসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম করে চলেছেন। পুনর্বাসন না করে তিনি কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন।
বক্তারা তদন্ত সাপেক্ষে পৌরসভায় অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার ইন্ধনদাতা মেয়র বেলালের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান। সম্প্রতি আরও একবার মেয়রের বিরুদ্ধে একই কর্মসূচি পালন করা হয়।
ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে বেলা ১০টা থেকে পৌনে ১১টা পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ একাত্মতা ঘোষণা করেন।
পৌর মেয়র বিএনপি নেতা বেলাল হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, পৌরসভার উন্নয়নে তার সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে উপজেলা ও পৌরসভার সাবেক কয়েকজন জনপ্রতিনিধির উষ্কানীতে কতিপয় ব্যক্তি মানববন্ধনের আয়োজন করে সেখানে মিথ্যাচার করছেন।
মানববন্ধন চলাকালে প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে দুপচাঁচিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, কাঁচা বাজার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্টা উপজেলা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ হাফিজার রহমান মাস্টার।
আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও সমিতির উপদেষ্টা আহম্মেদুর রহমান বিপ্লব, সমিতির সভাপতি পরিবহন শ্রমিক নেতা মহিদুল ইসলাম, উপজেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি আব্দুস সামাদ আজাদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান, সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর জয়মুদ্দিন প্রামানিক প্রমুখ।
/এইচকে/