শুক্রবার সকালে শাহাজাদপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রয়াত সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহারের হাতে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানির উৎপাদনকর্মী পদে নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এমন অভিযোগ করে এমপি স্বপন।
সে সঙ্গে যেসব অপরাধী এখনও শিমুল হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযুক্ত হয়নি তাদেরকে অবিলম্বে অভিযুক্ত করে তাদের ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অনুরোধ করেন স্বপন।
সাংবাদিক শিমুল হত্যাকাণ্ডের মামলাটি দ্রুত অপরাধ দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজেই সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে বদ্ধ পরিকর। তাই আমরাও সাংবাদিকদের কোনও রকম ক্ষতি মেনে নেব না।’ শিমুলের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েদের বাসস্থানের বিষয়েও দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিমুলের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এমপি স্বপন।
এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শাহজাদপুর পাইলট স্কুল মাঠে শিমুল ও তার নানির জানাজা অনুষ্ঠানে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাতের বক্তব্যের উদ্ধৃতি টেনে সাংসদ মিডিয়ার সামনে শিমুল হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মিরু ও মিন্টুর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছিলেন।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা সেদিন প্রকাশ্যে বলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি শাহজাদপুর পৌর শহরের মনিরামপুরে মিরু ও তার ভাই মিন্টু পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শটগান দিয়ে সংঘর্ষকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। মেয়র মিরু নিজেও তার শটগান দিয়ে ৫/৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। যার একটিতে শিমুল গুলিবিদ্ধ হন। পরদিন বগুড়া থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে মারা যান শিমুল। পুলিশ কর্মকর্তার এমন বক্তব্যের পরই সাংসদ এ ধরনের অভিযোগ করেছিলেন।
/বিটি/
আরও পড়ুন:
পৌর মেয়রের গুলিতেই সাংবাদিক শিমুলের মৃত্যু, দাবি সংসদ সদস্যের