পুলিশ ও এলাকাবাসীরা জানান, সংসারদীঘি গ্রামে একটি বড় পুকুরের মালিক গ্রামের মৃত সুধীর কুমারের ছেলে রঞ্জিত কুমার। তিনি কিছুদিন আগে হাইকোর্টে মামলা করে পুকুরের মালিক হন। এদিকে রায়নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ রিজু মালিকের কাছে পুকুরটি লিজ নেন। এ পুকুর দেখাশোনার দায়িত্ব দেওয়া হয় ওই এলাকার মোশাররফ প্রামানিকের ছেলে ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য মেহেদুল ইসলাম আশিককে। অভিযোগ করা হয়েছে, রিজু চেয়ারম্যান পুকুর থেকে মাছ তুলে নিলেও আশিককে কোনও অংশ দিতেন না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।
রবিবার সকালে রিজু চেয়ারম্যানের লোকজন মাছ ধরার জন্য পুকুর থেকে পানি সেচের ব্যবস্থা করলে আশিক ও তার সহযোগীরা বাধা দেয়। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর রিজু চেয়ারম্যান ও বিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে তাদের লোকজন সংসারদীঘি বাজারে আসেন। তারা আশিককে ডেকে পাঠালে তার সঙ্গে বিহার ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ওমর ফারুক আসেন। তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ফারুককে ছুরিকাঘাত ও আশিকে তুলে নেওয়া যাওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ফারুককে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। আশিকের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।
শিবগঞ্জ থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ খান জানান, পুকুর নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। রবিবার মাগরিবের পর রিজু চেয়ারম্যান ও মহিদুল চেয়ারম্যান এবং তাদের লোকজন ঘটনাস্থলে আসেন। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ফারুককে ছুরিকাঘাত করলে তিনি পরে হাসপাতালে মারা যান।
/এআর/