বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া হাজীপাড়া এলাকায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জুর নেতৃত্বে অর্ধশত সন্ত্রাসী সীমানা প্রাচীর ভেঙে একটি বাড়ি দখলের চেষ্টা করেছে। ভাঙচুরের পর ইট দিয়ে নতুন করে দেওয়াল ঘেরা শুরু করলে জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ আসায় তারা সরে যায়। শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বাড়ির মালিক আবু সাইম ফিরোজ এসব কথা জানান।
এ ঘটনায় বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া হাজিপাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলী শাহের ছেলে আবু সাইম ফিরোজ শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রভাবশালী জাকির হোসেন, জাকের হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম এবং ইদু প্রামানিকের ছেলে আফসার আলী আমাদের বসতবাড়ি অন্যায়ভাবে দখলের জন্য ২০১২ সালে সহকারী সেটেলমেন্ট আদালতে মামলা করেন। বিচারক তাদের বিপক্ষে রায় দেওয়ার পর থেকেই তারা বাড়িটি দখলের জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল।’
আবু সাইম ফিরোজ দাবি করেন, এ ঘটনার নেপথ্যে জেলা কৃষক লীগ নেতা মঞ্জু রয়েছে। এসময় ফিরোজ তাদের বাড়ি ও জানমাল রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে এসময় পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আরিফুর রহমান আরিফ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘কৃষকলীগ নেতা মঞ্জুর নেতৃত্বেই এ ঘটনা ঘটেছে। দু’পক্ষকে কাগজপত্র ও আইনজীবীসহ ডাকা হয়েছে।’
অভিযুক্ত কৃষকলীগ নেতা মঞ্জু বসতবাড়ি দখলে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদ হোসেন জানান, রাতে ফোর্স পাঠানো হয়েছিল। শনিবার অভিযোগ পাওয়ার পর দু’পক্ষকে কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।
/এমও/