বগুড়া শহরের মাটিডালি হাজিপাড়া এলাকায় স্কুলছাত্র মাসুক ফেরদৌস হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন মাহবুব হামিদ তারা। গত ৫ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের বেঞ্চ তাকে জামিন দেন। জামিনের মেয়াদ আট সপ্তাহ। এরপর তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী তার জামিনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের একজন খেলোয়াড়ের বাবা।
মাহবুব হামিদ তারার পক্ষে জামিন শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট জাহিদুল বারী। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহার বিউটি ও এমদাদুল হক শামীম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম।
জানা গেছে, গত ১৩ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া শহরের মাটিডালি হাজিপাড়া এলাকায় জাসদের (ইনু) কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাডভোকেট এমদাদুল হকের ছেলে ও এসওএস হারম্যান মেইনার স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র মাসুক ফেরদৌসকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ১৬ মে অ্যাডভোকেট এমদাদ সদর থানায় মাহবুব হামিদ তারা ও তার ভাই পৌর কাউন্সিলর মেজবাউল হামিদ মেজবাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- লাল মিয়া, খায়রুল, আল আমিন হেলাল, ছামছুল, তারাজুল, নাঈম, অনিক, নাহিদ, কাঞ্চন, ফয়সাল, শাকিল, সাকিব, বিটুল ও আল মামুন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, মাটিডালি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি এবং বিদ্যালয়ের মধ্যে ব্যক্তিগত প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা নিয়ে মাহবুব হামিদের সঙ্গে এমদাদুল হকের বিরোধের জের ধরে মাসুককে হত্যা করা হয়েছে। মাসুককে প্রতিবেশী বেলাল হোসেনের বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যার কথা বলা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজতে থাকা বেলালের ছেলে কিশোর নাঈম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে যশোরের শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।
/জেবি/এমএ/
আরও পড়তে পারেন : রাঙ্গামাটিতে নিহত সেনা সদস্য চঞ্চলকে সামরিক মর্যাদায় দাফন