মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুন্ডুমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘ওই তিনজনকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। এর আগে ১৩ জুন প্রথম দফায় গ্রেফতার ৮ জনের মধ্যে ছয়জনের ১০ দিন ও দুজনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।’
মামলার আসামিরা হলো, বাড়ির মালিক ও উপজেলার গৌরাঙ্গপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রমজান আলী, তার স্ত্রী আয়েশা বেগম, তাদের দুই ছেলে ইব্রাহীম হোসেন ও ইসরাফিল হোসেন, তার স্ত্রী হারেসা খাতুন, ইব্রাহিমের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন, রমজানের মেয়ে হাওয়া খাতুন এবং তার স্বামী রবিউল ইসলাম। গ্রেফতারকৃতরা সবাই নব্য জেএমবিতে যোগ দিয়েছিল বলে পুলিশ জানায়।
উল্লেখ্য, গত ১১ জুন গভীর রাতে বগুড়া জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও রাজশাহী জেলা পুলিশ রমজানের বাড়ি ঘিরে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে চার শিশুসহ ১২ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। পরদিন রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল বাড়িটি দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালায়।
এ অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন রিবার্থ’। অভিযানে বাড়ি থেকে তিনটি সুইসাইডাল ভেস্ট উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়। এছাড়া, কিছু উগ্রপন্থী বই, নগদ দুই লাখ টাকা, একটি ল্যাপটপ, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও দু’টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
/এএম/এমএনএইচ/