রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন বগুড়া পৌরসভার ২ নম্বর সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর রুমকি, তার বোন তুফানের স্ত্রী আশা, তাদের মা রুমা খাতুন, বাবা জামিলুর রহমান রুনু, তুফানের গাড়িচালক জিতু, তুফানের সহযোগী মুন্না।
বগুড়া ডিবি পুলিশের একটি দল রবিবার সন্ধ্যায় পাবনা শহর থেকে রুমকি, তার মা রুমা খাতুন এবং রাত ৮টায় বগুড়া শহরের বাদুড়তলা থেকে রুমকির বাবা জামিলুর রহমান রুনু এবং রাত ১১টায় ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় তুফানের স্ত্রী আশা, সহযোগি মুন্না ও গাড়ি চালক জিতুকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে রবিবার তুফান সরকার (২৮), তার সহযোগী আলী আজম দিপু (২৫) ও রুপমের (২৪) তিনদিনের মঞ্জুর করেন আদালত।
উল্লেখ্য, বগুড়ার এক কিশোরীকে কলেজে ভর্তি করানোর নামে গত ১৭ জুলাই তাকে নিজ বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তুফান সরকারের বিরুদ্ধে। তুফানের স্ত্রী এ ঘটনা জানতে পেরে স্বামীকে দায়ী না করে কিশোরীটিকেই ঘটনার জন্য দায়ী করে এবং সংরক্ষিত আসনের স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার মার্জিয়া হাসান রুমকির মাধ্যমে শুক্রবার (২৮ জুলাই) শালিস সভা বসিয়ে নির্যাতিতা ও তার মায়ের চুল কেটে দেয়। পরে নাপিত ডেকে তাদের ন্যাড়া করিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে ভর্তি করালে সে রাতেই তুফানসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৯ জুলাই শনিবার তুফানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী। এ ঘটনার পর রবিবার তুফানকে শ্রমিকলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক ছিলেন।
/বিএল/
এ সংক্রান্ত আরও খবর:
- বগুড়ায় ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতন: কাউন্সিলর রুমকি ও তার মা পাবনা থেকে গ্রেফতার
- বগুড়ায় ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতন: ৩ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড
- বগুড়ায় ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতন: জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি
- বগুড়ায় ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতন: শ্রমিকলীগ নেতা তুফান বহিষ্কার
- বগুড়ায় ধর্ষণ ও মা-মেয়েকে নির্যাতন: ৩ আসামির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
- ধর্ষণের পর নির্যাতিতা ও তার মায়ের মাথা ন্যাড়া, শ্রমিক লীগ নেতাসহ গ্রেফতার ৪
- তুফান সরাসরি আমাদের সংগঠন করে না: ওবায়দুল কাদের
- ধর্ষণের পর নির্যাতিতা ও তার মাকে ন্যাড়া: নারী কাউন্সিলরকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ