সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আসামি রাজ কুমার পুলিশের একজন সদস্য। সে ঢাকায় কর্মরত। তবে বর্তমানে সে পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। সেই সঙ্গে মেয়েটিকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্যেআজ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু মেডিক্যালে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক না থাকায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) আবার পাঠানো হবে।
জানা গেছে, রাজশাহী তানোর উপজেলার চান্দুড়িয়া ইউনিয়নের বাকোশপুর গ্রামের এক মেয়ের সঙ্গে মোবাইল ফোনে তানোর পৌর এলাকার হাবিবনগর পালপাড়া গ্রামের মনোরঞ্জন পালের ছেলে পুলিশের সদস্য রাজ কুমার পালের প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। রাজ কুমার নিজেকে মুসলিম বলে দাবি করে তার নিজের নাম পাল্টিয়ে রাজ নামে ওই নারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলে। সম্প্রতি রাজ কুমার ছুটিতে বাড়িতে এসে ওই নারীকে বিয়ে করবে বলে কৌশলে শনিবার (৯ ডিসেম্বর) বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে ওই মেয়ে রাজ কুমারের বাড়িতে উঠলে তার পরিবারের সদস্যরা ওই নারীকে মারধর করে বের করে দেয়। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় থানায় নিয়ে আসে। পরে ওই নারীর পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। রাতে পরিবারের সদস্যরা আসলে থানায় মামলা দায়ের হয়।