পাবনায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জনজীবন স্থবির

পাবনায় কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশায় মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহনপাবনাসহ উত্তর জনপদে তিন দিন ধরে বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। ফলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। ঈশ্বরদীতে রবিবার (৭ জানুয়ারি) ৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে স্থানীয় আবহাওয়া অধিদফতর। এ বছর তো বটেই, পাবনায় এখন পর্যন্ত এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অধিদফতরের টিপিও আব্দুল খালেক সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আরও কয়েকদিন এ অবস্থা থাকার আশঙ্কা রয়েছে।’

তীব্র শীত আর হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশার মধ্যে মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। পাশাপাশি শিডিউল বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে ট্রেন চলাচল।

পাবনায় প্রচন্ড শীত ও হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবনসরেজমিনে কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে আসছেন না অনেকে। ভোরে সড়কে মানুষের আনাগোনা খুব একটা চোখে পড়ছে না। মাঠে দেখা মিলছে না শ্রমিকদের। অনেকে খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা খুঁজে নিচ্ছেন।

প্রচণ্ড শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। হাসপাতালগুলোতে ভর্তি শিশুসহ বৃদ্ধ রোগীরা বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া হাড়কাঁপুনি শীতে কাহিল গবাদি পশুগুলো।

খড়কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা খুঁজে নিচ্ছেন অনেকেশহর কিংবা হাটবাজারের দোকানপাটগুলো খুলছে বেলা গড়ানোর পর। তবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষগুলো দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া উপেক্ষা করেই গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কাজের উদ্দেশে বের হচ্ছেন।

পুরনো শীতবস্ত্র কিনতে হকার্স মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড়এদিকে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তরা কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল হাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পুরনো শীতবস্ত্র কিনতে হকার্স মার্কেটে ভিড় করছেন। নিজেদের চাহিদামতো দরদাম করে জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, টুপি, হাতমোজা ও কম্বল কিনছেন তারা।