পুলিশের ছিলিমপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবদুল আজিজ মণ্ডল পাঁচ ছাত্র আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে রাতে জানান, সমঝোতার জন্য ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে।
পুলিশ জানায়, কলেজের ২৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যাচ ডে পালনের উদ্যোগ নেয়। বুধবার রাতে ২৩ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী এ অনুষ্ঠানের ভুল ধরলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে ২৩ ব্যাচের ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নেয় ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। লাঠিসোটা নিয়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ইসতিয়াক, আজাদ, রাজন, নয়ন ও কাজল আহত হন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল ও কলেজ কর্তৃপক্ষের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তি জানান, শজিমেকে দুই দল ছাত্রের মধ্যে মারামারির ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাইমুর রাজ্জাক তিতাস জানান, ‘ছাত্রলীগের মধ্যে নয়, কলেজের ২৬ ও ২৭তম ব্যাচের কয়েকজন ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র। শুনেছি তিন থেকে চার জন আহত হয়েছে।’