বৃহস্পতিবার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর পবায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি উপজেলার দামকুড়াহাট ইউনিয়ন পরিষদে ভোটারদের মাঝে জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড বিতরণ ও কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এ সময় কে এম নূরুল হুদা আরও বলেন, ‘সিটি নির্বাচনের পরপরই ডিসেম্বর কিংবা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’ তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা বা না করাটা যে কোনও দলের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। তবে সেটা কি পরিমাণে ব্যবহার করা হবে, তবে তা নির্ভর করবে ইভিএম মেশিন সম্পর্কে প্রশিক্ষণের ওপর।’
দামকুড়াহাট ইউনিয়ন পরিষদে জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্টকার্ড বিতরণ শেষে নির্বাচন কমিশনার পবা উপজেলা নির্বাচন অফিস পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, পাঁচ সিটি করপোরেশনের বর্তমান নির্বাচিত পরিষদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে। এরমধ্যে গাজীপুরের ৪ সেপ্টেম্বর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর, সিলেটের ৮ অক্টোবর ও বরিশালের ২৪ অক্টোবর নির্বাচনের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। এ অবস্থায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনে ৯ এপ্রিল থেকে ৫ অক্টোবর, খুলনায় ৩০ মার্চ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর, বরিশালে ২৭ এপ্রিল থেকে ২৩ অক্টোবর, সিলেটে ১৩ মার্চ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর এবং গাজীপুরে ৮ মার্চ থেকে ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।